
অস্কারে সেরা আনোরা, যাদের হাতে উঠলো মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার
চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কারের নাম “অস্কার”। বিশ্বজুড়ে সকল অভিনয় শিল্পীর নজরে থাকা এই পুরস্কার ঘোষিত হলো রবিবার ২ মার্চ ( বাংলাদেশ সময় সোমবার ৩ মার্চ) ।
বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র শিল্পী, কলাকুশলী কিংবা সিনেমপ্রেমীদের কাছে সবচেয়ে আকাঙ্খিত পুরস্কারের নাম অস্কার। চলচ্চিত্র নির্মাতা থেকে অভিনেতা-অভিনেত্রী সকলের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে এই অ্যাওয়ার্ড। একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস কর্তৃপক্ষ আয়োজিত এই অ্যাওয়ার্ডের আসর প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের ডলবি থিয়েটারে জমকালো আয়োজন বসে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২ মার্চ বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ৯৭তম আসরের পুরস্কার। বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৫ টায় শুরু হয়েছে অস্কার ঘোষণা।
এবারের অস্কার অ্যাওয়ার্ডের জন্য সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন পেয়েছিল নেটফ্লিক্সের ক্রাইম মিউজিক্যাল সিনেমা ‘এমিলিয়া পেরেজ’। ১৩ বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে সিনেমাটি। তবে সবচেয়ে বেশি পুরস্কার জিতে বাজিমাত করেছে শন বেকার পরিচালিত "আনোরা"। সেক্স ওয়ার্কারদের জীবনের উপর নির্মিত এই ছবি পাঁচটি ক্যাটাগরিতে অস্কার জিতেছে। এছাড়া ‘দ্য ব্রুটালিস্ট’ তিনটি ক্যাটাগরিতে, ‘উইকেড’, ‘এমিলিয়া পেরেজ’ এবং ‘ডুন: পার্ট টু’ দুটি করে ক্যাটাগরিতে অস্কারে ভূষিত হয়েছে।
কাগজে–কলমে এবারের অস্কারে ১০টি সিনেমা মনোনয়ন পেয়েছিল বটে, তবে সমালোচকদের অনুমান ছিল ‘আনোরা’, ‘কনক্লেভ’, ‘দ্য ব্রুটালিস্ট’, ‘এমিলিয়া পেরেজ’—এই চার সিনেমার মধ্যে থেকে একটি জিতবে সেরার পুরস্কার। তবে শেষ মুহূর্তে সমালোচকদের ফেবারিট ছিল "আনোরা"। গত বছর স্বর্ণ পাম জেতার পর চলতি বছর ক্রিটিক চয়েজ, স্যাগ ও প্রডিউসার গিল্ডে সেরা ছবি হয়েছে এটি। চলচ্চিত্রবিষয়ক মার্কিন গণমাধ্যম দ্য হলিউড রিপোর্টার তাদের পূর্বাভাসে বলেছে, ‘আনোরা’ পুরস্কার জিতবে কিন্তু আসলে জেতা উচিত ‘দ্য ব্রুটালিস্ট’-এর। শেষ পর্যন্ত সমালোচকদের অনুমান সত্যি হয়েছে।
৯৭তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে সেরা ছবির পুরস্কার জিতেছে ‘আনোরা’ । ৩ মার্চ সকালে লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে অস্কারের আয়োজনে সেরা সিনেমার পুরস্কার জিতল শন বেকারের সিনেমাটি। এ সিনেমার জন্য সেরা নির্মার্তার পুরস্কার জিতেছেন শন বেকার, মাইকি ম্যাডিসন হয়েছেন সেরা অভিনেত্রী।
কুখ্যাত রাশিয়ান গ্যাংস্টারের ছেলে এক স্ট্রিপ ড্যান্সারের প্রেমে পড়ে এবং দুজন বিয়ে করলেও সেই গ্যাংস্টার বিয়ে মেনে নেয় না।এমন গল্প নিয়ে শন বেকারের সিনেমা ‘আনোরা’। গত বছর কান উৎসবে স্বর্ণপাম জেতা সিনেমাটি আদতে নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনের বাস্তবতা আর তাঁদের স্বপ্নের টানাপোড়েনের গল্প।
গত বছর যখন কানে সিনেমাটি স্বর্ণপাম জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছিল। কারণ, সেবারের উৎসবে হেভিওয়েট নির্মাতাদের হারিয়ে সেরার পুরস্কার জেতা সহজ ছিল না। কানের পর এবার অস্কারেও সেরা সিনেমা হলো এটি।
শন বেকারের সঙ্গে ‘আনোরা’ প্রযোজনা করেছেন নির্মাতার স্ত্রী সামান্থা কোয়ান। ২০২৩ সালে নিউইয়র্কে শুটিং হয় সিনেমাটির। ২০২৪ সালের ২১ মে কান উৎসবে প্রিমিয়ার হয় সিনেমাটির এবং প্রদর্শনীর পর ১০ মিনিট ধরে দর্শকের স্ট্যান্ডিং ওভেশন পায়।
অস্কারের এবারের আসরে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে মনোনীত ছিলেন সোফিয়া গ্যাসকোন (‘এমিলিয়া পেরেজ),ডেমি মুর (‘দ্য সাবস্ট্যান্স’) বা মাইকি ম্যাডিসনের (‘আনোরা’), সিনথিয়া আরিভো ( উইকেড), ও ফিরনান্দা তোরেস (‘আই অ্যাম স্টিল হেয়ার’)।পুরোনো টুইট ঘিরে বিতর্কের কারণে সেরা অভিনেত্রীর দৌড় থেকে আগেই পিছিয়ে পড়েছিলেন স্প্যানিশ অভিনেত্রী কারলা সোফিয়া গ্যাসকোন (‘এমিলিয়া পেরেজ’)।তাই ধারণা ছিল, ডেমি মুর (‘দ্য সাবস্ট্যান্স’) বা মাইকি ম্যাডিসনের (‘আনোরা’) হাতেই উঠবে এ পুরস্কার।
ডেমি মুরের মতো খ্যাতিমান অভিনেত্রীকে পরাজিত করে শেষ পর্যন্ত অস্কার জিতে নেন ২৫ বছর বয়সী অভিনেত্রী মাইকি ম্যাডিসন। পুরস্কার জিতে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার স্বপ্ন সত্যি হলো। যদিও লস অ্যাঞ্জেলেসে বড় হয়েছি, তবু বরাবরই মনে হতো, হলিউড অনেক দূরের স্বপ্ন। সেখান থেকে আজ এই মঞ্চে দাঁড়ানো সত্যিই অবিশ্বাস্য।’ সিনেমায় যৌনকর্মী অ্যানির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই জটিল একটি চরিত্র পর্দায় সফল রূপায়ণ করে সমালোচকদেরও প্রিয়পাত্রে পরিণত হয়েছেন মাইকি। স্বপ্ন, বাস্তবতা, টানাপোড়েন, মানবিকতা আর অসহায়ত্বের মোড়কে চরিত্রটিকে গড়েছেন নির্মাতা।
অস্কারের ৯৭ তম আসরে ‘দ্য ব্রুটালিস্ট’-এর জন্য সেরা অভিনেতা হলেন অ্যাড্রিয়েন ব্রডি। এর আগে ২০০৩ সালে ‘দ্য পিয়ানিস্ট’-এর জন্য ২৯ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে অস্কার জেতেন তিনি।দুবার অস্কার জেতা ১০ অভিনেতার একজন এখন ব্রডি।
রোমান পোলানস্কির 'দ্য পিয়ানিস্ট'-এর মতো ব্র্যাডি করবেটের এ সিনেমাতেও এক ইহুদির চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেতা যে কিনা গণহত্যা থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে! এ ধরনের চরিত্রের সঙ্গে ব্রডি যে এত ভালোভাবে মানিয়ে যান তার কারণ অভিনেতার নিজের মা এবং দাদা-দাদি ১৯৫০-এর দশকে হাঙ্গেরি ছেড়ে পালিয়ে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে! ‘দ্য ব্রুটালিস্ট’-এর গল্প ব্রডির কাছে তাই ‘একান্তই ব্যক্তিগত’।
পুরস্কার জেতার অনুভূতি জানিয়ে অ্যাড্রিয়েন ব্রডি বলেন, ‘যুদ্ধ, নিপীড়নের দীর্ঘস্থায়ী ট্রমা, ইহুদিবিদ্বেষ, বর্ণবাদ নিয়ে বলতে আবার আমি এখানে এসেছি। সবাইকে নিয়ে একটি সুখী পৃথিবীর জন্য প্রার্থনা করি। আমি বিশ্বাস করি, ঘৃণা দিয়ে কিছু হয় না; অতীত আমাদের এ শিক্ষাই দেয়।'এর আগে চলতি বছর একই সিনেমার জন্য গোল্ডেন গ্লোবেও সেরা অভিনেতা হয়েছেন তিনি।
২০২৫'র অস্কারে সেরা নির্মাতার পুরস্কার জিতলেন শন বেকার। গত বছর মুক্তি পাওয়া বহুল প্রশংসিত সিনেমা ‘আনোরা’র জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন ৫৪ বছর বয়সী মার্কিন নির্মাতা। আজ সোমবার সকালে লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে অনুষ্ঠিত ৯৭তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
অনেক দিন যৌনকর্মী ও পর্নো তারকাদের নিয়ে গবেষণা করেছেন শন বেকার। তাঁর সিনেমায় তাই বারবার উঠে আসে যৌনকর্মীদের গল্প, আর আসে অভিবাসী মানুষের কথা। নির্মাতার আগের দুই সিনেমা ‘ট্যাঙ্গারিন’ ও ‘দ্য ফ্লোরিডা প্রজেক্ট’ এর বিষয়বস্তুও একইরকম।
নিজের ছবির বিষয়বস্তু প্রসঙ্গে গত বছর কানে পুরস্কার জেতার পর শন বলেন, ‘তারা (যৌনকর্মীরা) আমাদের সবাইকে মুগ্ধ করেন।’ ২০০০ সালে ‘ফোর লেটার ওয়ার্ডস’ দিয়ে পরিচালনা শুরু করা শন, ২৫ বছর পর এসে জিতলেন সেরা নির্মাতার অস্কার। পুরস্কার জয়ের পর প্রেক্ষাগৃহের জন্য আরও সিনেমা নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে শন বলেন, ‘আমরা কোথায় সিনেমার প্রেমে পড়ি? অবশ্যই প্রেক্ষাগৃহে।’
এবারের অস্কারে নির্মাতা শনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন নির্মাতা কোয়েন্টিন টারান্টিনো। এই কোয়েন্টিনের সিনেমা ‘ওয়ানস আপন আ টাইম ইন হলিউড’-এ মাইকি ম্যাডিসনকে দেখেই ‘আনোরা’ করার সিদ্ধান্ত নেন শন। তাই নির্মাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শন বলেন, ‘কোয়েন্টিন যদি ছবিতে ম্যাডিসনকে না নিতেন, তাহলে “আনোরা” হতো না।’
৯৭তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছেন কিরান কালকিন এবং পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন জোয়ি সালডানা।
প্রায় দুই যুগের ক্যারিয়ার হলেও পরিচিতি আর স্বীকৃতি পেতে অনেকটা সময় লেগে গেল। ‘সাকসেশন’-এর পর ‘আ রিয়েল পেইন’ দিয়ে কক্ষপথে ফিরলেন কিরান কালকিন।‘আ রিয়েল পেইন’ সিনেমার জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি এবং পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেতা হিসেবে তিনি যে অস্কার জিতবেন, তা প্রায় সব সমালোচকই অনুমান করেছিলেন।
পুরস্কার গ্রহণ করে অভিনেতা জানান, শুরুতে তিনি সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। কারণ, শুটিং হবে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে, দীর্ঘদিন পরিবার থেকে দূরে থাকতে হবে। তবে স্ত্রীর উৎসাহে পরে রাজি হন। '
অস্কারের মঞ্চে পুরস্কার উঁচিয়ে ধরে কিরান বলেন, ‘আমার স্ত্রী বলেছিল, অস্কার জিতলে চতুর্থ সন্তান উপহার দেবে।’ তার কথায় মুহূর্তেই হাসির রোল ওঠে। অনুষ্ঠানে কিরানের সঙ্গে তার স্ত্রী জ্যাজ শার্টনও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানজুড়ে ছবির জন্য বেশ অন্তরঙ্গভাবে পোজ দেন তারা।
পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেত্রীর ক্ষেত্রেও সমালোচকদের পছন্দ ছিলেন জোয়ি সালডানা। জ্যাক অঁদিয়ারের ‘এমিলিয়া পেরেজ’ সিনেমায় আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করে নজর কেড়েছেন জোয়ি এই অভিনেত্রী। ফলে তাঁর পুরস্কার জেতাটাও অনুমিতই ছিল।
পুরস্কার পরিবারকে উৎসর্গ করে জোয়ি বলেন, ‘আমার দাদি ১৯৬১ সালে এই দেশে এসেছিলেন। অভিবাসীর সন্তান হিসেবে আমি গর্বিত। অস্কার পাওয়া ডমিনিকান বংশোদ্ভূত প্রথম আমেরিকান আমি, আশা করি আমিই শেষ নই।’
উল্লেখ্য, কিরান ও জোয়ি—দুজনই এই দুই সিনেমার জন্য গোল্ডেন গ্লোবও জিতেছেন।
গাজায় চলমান ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে চার ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি আন্দোলনকর্মী বানিয়েছেন তথ্যচিত্র "নো আদার ল্যান্ড।" অস্কারে সেরা তথ্যচিত্রের পুরস্কার জিতেছে এটি। পুরস্কার গ্রহণ করে নির্মাতা ইউভাল আব্রাহাম গাজায় ভয়াবহ নৃশংসতার সমালোচনা করেন।
আরও পড়ুনঃ- ফের সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে রাফীর চমকপ্রদ সৃষ্টি ‘আমলনামা’
অস্কারে সদ্য প্রয়াত অভিনেতা জিন হ্যাকম্যানকে স্মরণ করেন অভিনেতা মর্গান ফ্রিম্যান। তিনি বলেন, ‘এই সপ্তাহে আমরা খুব ভালো একজন বন্ধুকে হারিয়েছি। তিনি দুবার অস্কার পেয়েছেন, তবে এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তিনি সারা দুনিয়ার সিনেমাপ্রেমীদের ভালোবাসা পেয়েছেন।’
এবারের অস্কারে জেমস বন্ডকে ট্রিবিউট দেয়া হয়।দীর্ঘদিন ‘জেমস বন্ড’ সিরিজের নিয়ন্ত্রণ ইয়ন ফিল্মসের হাতে থাকলেও গত মাসে নতুন চুক্তির ফলে জেমস বন্ডের সৃজনশীল নিয়ন্ত্রণ আর থাকছে না উইলসন ও ব্রোকলির হাতে। সিনেমার নতুন পর্বের সিদ্ধান্ত থেকে অভিনয়শিল্পী নির্বাচনসহ সৃজনশীল সব বিষয় এখন থেকে নিয়ন্ত্রণ করবে অ্যামাজন এমজিএম স্টুডিও।
অস্কারের সঙ্গে ছয় দশকের সম্পর্ক জেমস বন্ডের ।তাই ৯৭তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের শুরুতেই নাচে–গানে জেমস বন্ডকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হয়।বন্ডের থিমের সঙ্গে মঞ্চে কোয়ালির নাচ যেন শুরুতেই জমিয়ে দেয় অস্কার অনুষ্ঠান।
দোজা ক্যাট, লিসা ও রে গানে গানে জেমস বন্ডকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানান যারসঙ্গে ছিল এ সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী মারগারেট কোয়ালির নাচ।১৯৭৩ সালের জেমস বন্ড সিনেমা ‘লিভ অ্যান্ড লিভ লিভ’-এর থিম সং ধরেন ব্ল্যাকপিংক গায়িকা লিসা, এরপর দোজা ক্যাট গান ‘ডায়মন্ডস আর ফরএভার’-এর থিম, সবশেষে রে পরিবেশন করেন ‘স্কাইফল’-এর গান।এর আগে জেমস বন্ড ট্রিবিউট পারফরম্যান্স শুরু করেন ‘ডাই এনাদার ডে’ অভিনেত্রী হ্যালি বেরি।
অস্কারের ৯৭ তম আসরে প্রথমবারের মতো সঞ্চালনা করেন মার্কিন অভিনেতা, সঞ্চালক কোনান ও’ব্রায়েন। সমালোচকদের মতে, তার পারফরম্যান্স ছিল চলনসই।খুব বেশি রাজনীতির প্রসঙ্গ না এনে হালকা রসিকতায় মাতিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন তিনি।
৯৭ তম অ্যাকাডেমি পুরষ্কার কার কার ঝুলিতে গেল তার পুরো তালিকা বার্নাবী নিউজের পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো :
*সেরা ছবি- আনোরা
*সেরা অভিনেত্রী- মাইকি ম্যাডিসন (আনোরা)
*সেরা অভিনেতা- অ্যাড্রিয়েন ব্রডি (দ্য ব্রুটালিস্ট)
*সেরা সম্পাদনা- আনোরা
*সেরা পরিচালক- শন বেকার (আনোরা)
*সেরা পোশাক- পল টাজওয়েল (এই ক্যাটাগরিতে প্রথমবারের জন্য একজন অ্যাফ্রো-আমেরিকান অস্কার পুরষ্কার পেয়েছেন)
*সেরা অ্যানিমেটেড স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি- হুসেইন মোলায়েমি এবং শিরিন সোহানি (দ্য শ্যাডো অফ দ্য সাইপ্রেস)
*সেরা অ্যানিমেশন- লাতভিয়ান
*সেরা পার্শ্ব অভিনেতা- কিরান কালকিন (এ রিয়েল পেইন)
*সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী- জো সালদানা (এমিলিয়া পেরেজ)
*সেরা চিত্রগ্রহণ- দ্য ব্রুটালিস্ট
*সেরা আন্তর্জাতিক ছবি- আই অ্যাম স্টিল হিয়ার (ব্রাজিল)
*সেরা রূপান্তরিত চিত্রনাট্য- কনক্লেভ
*সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য- আনোরা
*সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের লাইভ অ্যাকশন ছবি- আই অ্যাম নট আ রোবট
*সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের অ্যানিমেটেড ছবি- ইন দ্য শ্যাডো অফ দ্য সাইপ্রেস
*সেরা অ্যানিমেটেড ছবি- ফ্লো
*সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্র- দ্য ওনলি গার্ল ইন দ্য অর্কেস্ট্রা
*সেরা তথ্যচিত্র- নো অদার ল্যান্ড
*সেরা মৌলিক গান- ই মাই (এমিলিয়া পেরেজ)
*সেরা মৌলিক সঙ্গীত- দ্য ব্রুটালিস্ট
*সেরা মেকআপ এবং হেয়ারস্টাইলিং- দ্য সাবস্ট্যান্স
*সেরা পোশাক ডিজাইন- উইকেড
*সেরা সাউন্ড- ডুন ২
*সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন- উইকেড
*সেরা ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস- ডুন ২
ডেস্ক রিপোর্টার
সর্বাধিক পঠিত
Loading...