
স্ক্যামারদের হাত থেকে কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রাম একাউন্ট?
ডিজিটাল যুগে ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রাম শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, বরং ব্যক্তিগত পরিচিতি ও পেশাদার কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এই প্ল্যাটফর্মগুলোর অপব্যবহার করে স্ক্যামাররা ফেইক রিপোর্টের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের একাউন্ট ও পেইজ বন্ধ করার চেষ্টা করছে কতিপয় অসাধু স্ক্যামার।
এক মুহূর্তের অসতর্কতায় আপনি হারাতে পারেন আপনার প্রিয় একাউন্ট বা গুরুত্বপূর্ণ পেইজ। তাই এমন ঝুঁকি থেকে বাঁচতে চাইলে কিছু সচেতন পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।
বর্তমানে স্ক্যামারদের ফেইক রিপোর্টের মাধ্যমে ফেসবুক বা ইন্সটাগ্রাম একাউন্ট ও পেইজ হারানোর ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের বিপদ এড়ানোর জন্য কার্যকর কয়েকটি পদক্ষেপ তুলে ধরা হলো-
১. মেটা সাবস্ক্রিপশন বা নোটেবল ভেরিফিকেশন-
আপনার প্রোফাইল বা পেইজ বা ইন্সটাগ্রাম একাউন্ট সুরক্ষার প্রথম ধাপ হলো মেটা সাবস্ক্রিপশন বা নোটেবল ভেরিফিকেশন করা। ভেরিফাই করা থাকলে একাউন্ট বা পেইজ ফেইক রিপোর্টে সহজে ডিঅ্যাকটিভেট করা সম্ভব হয় না।
২. প্রোফাইল ও কভার ফটো ডিলেট-
যদি আপনার প্রোফাইল বা পেইজ ভেরিফাই করা না থাকে, তবে প্রোফাইল ফটো এবং কভার ফটো মুছে ফেলুন। স্ক্যামাররা এই ফটোগুলো ব্যবহার করে ফেইক রিপোর্ট করতে পারে।
৩. ভায়োলেটিং এডমিন রিমুভ-
আপনার পেইজের কোনো এডমিনের একাউন্টে যদি কোনো ধরনের ভায়োলেশন থেকে থাকে, তাহলে সেই একাউন্টকে দ্রুত এডমিন প্যানেল থেকে সরিয়ে দিন। এটি পেইজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
আরও পড়ুনঃ- এপ্রিলেই কী বাংলাদেশে আসবেন ইলন মাস্ক?
৪. ফেইক একাউন্ট সার্চ ও রিপোর্ট-
নিয়মিত ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে আপনার নামে কোনো ফেইক একাউন্ট বা পেইজ আছে কি না তা সার্চ করে দেখুন। যদি খুঁজে পান, তাহলে দ্রুত রিপোর্ট করুন। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ কারো সহায়তা নিন।
আপনার সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট এবং পেইজ সুরক্ষিত রাখতে এগুলো মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সামান্য সতর্কতা আপনার গুরুত্বপূর্ণ একাউন্ট ও পেইজকে স্ক্যামারদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্টার
সর্বাধিক পঠিত
Loading...